মেরুদণ্ড, পিঠ এবং ঘাড়ের ব্যথা আজকাল অনেকের দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা তৈরি করে। ডিস্কের সমস্যা, মেরুদণ্ডে ক্ষয়, পেশি বা লিগামেন্টের চাপ, নার্ভ কম্প্রেশন বা অন্যান্য স্পাইনাল জটিলতা ব্যথার মূল কারণ হয়ে থাকে। সঠিক নির্ণয় ও ব্যক্তিগতকৃত চিকিৎসা পরিকল্পনা রোগীর দীর্ঘমেয়াদি স্বস্তি এবং কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
স্পাইন ও ব্যাক পেইন কেয়ার শুরু হয় বিস্তারিত শারীরিক পরীক্ষা ও ইমেজিং পদ্ধতি যেমন এক্স-রে, এমআরআই বা সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে ডিস্কের অবস্থা, মেরুদণ্ডে কোনো পরিবর্তন, নার্ভে চাপ এবং অন্যান্য সমস্যার সঠিক মূল্যায়ন করা হয়।
চিকিৎসার ধাপ নির্ভর করে সমস্যার জটিলতার ওপর। হালকা বা মাঝারি সমস্যায় সাধারণত ওষুধ, ব্যথানাশক, ফিজিওথেরাপি ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। মেরুদণ্ডের ডিস্কের সমস্যা থাকলে আঘাত বা ক্ষতিগ্রস্ত অংশে আধুনিক সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হতে পারে।
পুনর্বাসন ও ফিজিওথেরাপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ধাপে ধাপে ব্যায়াম, পেশি শক্তিশালীকরণ এবং জয়েন্ট মোবিলিটি উন্নয়ন রোগীর দৈনন্দিন কার্যক্রম পুনরুদ্ধারে সহায়ক।
উদ্দেশ্য হলো দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা মুক্তি নিশ্চিত করা, পেশি ও স্পাইনাল স্ট্রাকচারকে সাপোর্ট করা এবং রোগীর জীবনযাত্রা উন্নত করা। সঠিক নির্ণয় ও পরিকল্পিত চিকিৎসা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগীরা স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে আসতে সক্ষম হন।